মেনু নির্বাচন করুন

কার্যক্রম

ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম চলছে জোড়াতালি দিয়ে। ৯ পুরুষ সদস্যের মধ্যে ৪ সদস্যই এখন অনুপস্থিত পরিষদে। যে কারণে  পরিষদের কার্যক্রম শোচনীয় বলে মনে করেন ইউপি চেয়ারম্যান স্বয়ং। পরিষদ সূত্র জানায়, ২ নং ওয়ার্ডের সদস্য মো: শাহেদ সাড়ে ৩ মাস যাবত সহিংস ঘটনার মামলায় আটক হয়ে জেল খাঁটছেন। ৯ নং ওয়ার্ডের সদস্য জয়নাল আবেদীন স্ত্রীকে তালাক দিতে গিয়ে দু‘টি মামলায় আটক ও জামিন পেয়ে ৩/ ৪ মাস যাবত নিরুদ্দেশ রয়েছেন। কেউ বলছেন গার্মেন্টে চাকুরী করছেন আবার কেউ বলেন টেকনাফে কীটনাশক কোম্পানীতে কাজ করছেন। দু‘টি মামলাতেই তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরওয়ানা রয়েছে। ৪ নং ওযার্ডের সদস্য মোক্তার আহমদ একটি প্রতারণার মামলায় ২০ দিন যাবত জেলে আছেন। অবশ্য তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন আরো ১০/১১টি মামলা রয়েছে বলেও জানা গেছে।
৮ নং ওয়ার্ডের সদস্য মোর্শেদ আলম সিকদার প্রাথমিক পর্যায়ে পরিষদে কিছু দিন অফিস করলেও ২ বছর যাবত অজ্ঞাত কারণে পরিষদে আসেননা। তার বাড়িতে দাপ্তরিক কার্যক্রমের খাতা পাঠিয়ে দস্তখত নেয়া হয়।ইউপি সদস্য মোর্শেদ আলম  বলেন, প্রকল্প বাস্তবায়ন ছাড়াও বিভিন্ন বিষয় নিয়ে চেয়ারম্যান প-পাতিত্য করেন । তাই তিনি পরিষদে যাননা। ৩ নং ওয়ার্ডের সদস্য মাহবুব কালাম পরিষদের সভা-সমাবেশে আসেন। তবে অনিয়মিত অফিস করেন। মাদ্রাসায় চাকুরী করায় তিনি মাদ্রাসাতে সময় বেশি দেন বলে জানা গেছে। এ সব তথ্য জানিয়ে ইউপি চেয়ারম্যান আলা উদ্দিন আল আজাদ বলেন,বিভিন্ন মামলার কারণে ৩ জন সদস্য পরিষদে অনুপস্থিত। সদস্য মোর্শেদ আলম সিকদার কেন পরিষদে আসেননা তা তিনি নিজেও জানেননা । খাতা-পত্র তার বাড়িতে পাঠিয়ে কার্যক্রম চালিয়ে নেয়া হয়। অনুপস্থিত ইউপি সদস্যদের দায়িত্বগুলো সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের মহিলা সদস্য দ্বারা কোন রকমে সমাধা করা হচ্ছে বলে জানান। পরিষদের উন্নয়ন কর্মকান্ড ছাড়াও নিয়মিত কার্যক্রমেও চরম ব্যাঘাত ঘটছে বলে তিনি মনে করেন।